শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |

এমপি কেয়া চৌধুরীর প্রচেষ্টায় স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে বাহুবলবাসীর

indexহাওর আর পাহাড়বেষ্টিত জেলার বাহুবল উপজেলা। এখানে প্রায় তিন লাখ লোকের বসবাস। এ স্থানটিতে ছিল না নির্ধারিত লেখার মাঠ। এমপি নির্বাচিত হবার পরই বাহুবলে স্টেডিয়াম নির্মাণে চেষ্টা চালান কেয়া চৌধুরী। এ উপজেলার হাওর এলাকার সন্তান কেয়া চৌধুরী দায়িত্বও পান ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণারয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যের। এ হিসেবে স্টেডিয়াম নির্মাণে পদক্ষেপ পালন করতে আরও সহজ হয়ে উঠে কেয়া চৌধুরী’র কাছে।

এরই মধ্যে সরকার সিদ্ধান্তগ্রহণ করে দেশে ৪৯০টি ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণের। প্রথম ধাপে ১৩১টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এরমধ্যে বাহুবল উপজেলাও রয়েছে। প্রথম ধাপে থাকার পেছনে এমপি কেয়া চৌধুরী এককভাবে ভূমিকা পালন করেছেন।

চলতি বছরের ১৬ মে বাহুবলে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণের স্থান নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনা সভা উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এমপি কেয়া চৌধুরীর উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তৃণমূলের কথা চিন্তা করে স্থান নির্ধারণ করা হয় জেলা পরিষদ এলাকায়। অবশেষে আগামীকাল সোমবার (০৯ অক্টোবর) আওয়ামী পরিবারের নেতাকর্মী ও তৃণমূলদের সাথে নিয়ে বাহুবলে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’র ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করবেন সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী।

বিষয়টি বাহুবলবাসীর কাছে প্রচার হয়েছে। এ রকম সুখবর এনে দেওয়ায় এমপি কেয়া চৌধুরীর প্রতি প্রশংসা করছেন তৃণমূল লোকেরা।

এ ব্যাপারে ‘যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমির সদস্য  এমপি কেয়া চৌধুরী বলেন- সারা দেশে উপজেলা পর্যায়ে ৪৯০টি ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম’ নির্মাণের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে ১৩১টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি উপজেলাগুলোতে ধাপে ধাপে কাজ হবে। সরকার চাচ্ছে এই কাজ যেন যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়।

এ জন্য মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ তদারকির জন্য একটি সংসদীয় সাবকমিটি গঠন করেছে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিন একর জমি নিশ্চিত হলেই প্রতিটি উপজেলায় এই স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। তবে তা কোনোভাবেই স্কুল বা কলেজের মাঠে করা যাবে না। এই স্টেডিয়াম থাকবে সবার জন্য উন্মুক্ত। এই স্টেডিয়ামে গ্যালারি থাকবে না। তবে অফিসকক্ষ, ছেলে-মেয়েদের জন্য আলাদা ড্রেসিংরুম ও টয়লেট সুবিধা থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করার পরিকল্পনা নেয় সরকার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাই শেখ রাসেলের নামে এই স্টেডিয়ামের নামকরণ হবে। এ জন্য গত ১৮ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অনুমতি দেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ পর্যন্ত ১৩১টি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের টেন্ডার ও ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে নির্মাণকাজও শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালের ৩০ জুনের মধ্যে এই স্টেডিয়ামগুলোর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে ওই প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়।

একই সঙ্গে কার্যাদেশপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে নির্মাণকাজ করছে কি না তা দেখার এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সরেজমিনে পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ জন্য এই সংসদীয় কমিটির সদস্য নাহিম রাজ্জাককে আহ্বায়ক এবং আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী, এ এম নাইমুর রহমানকে সদস্য করে তিন সদস্যের একটি সাবকমিটি গঠন করা হয়।

সংবাদ শেয়ার করুন

সর্বশেষ সংবাদ

BengalTimesNews.com