মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ২০ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

লিটিল লন্ডন সিটির বহিস্কৃত এম ডি ও সাবেক ফাইনেন্স ডিরেক্টর’র বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ



বিশেষ প্রতিবেদক : সিলেটের ল্যান্ড লিংক প্রাঃ লিঃ এর লিটিল লন্ডন সিটি প্রকল্পের বহিস্কৃত ব্যবস্থাপনা পরিচালক লাভু মিয়া ও সাবেক অর্থ পরিচালক সাইফুল ইসলাম সিপুর বিরুদ্ধে কোম্পানির ৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। কোম্পানীর পক্ষে উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজারুল আলম চৌধুরী শিমু এ অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, গত বছরের ১৭ নভেম্বর লাভু মিয়া’কে বহিস্কার করার পর অদ্যবদি লাভু মিয়া ও সাইফুল ইসলাম কোম্পানির যাবতীয় কাগজপত্র, হিসাব ও কোম্পানির ফান্ডের টাকা জমা দেননি। তাদের এ বিষয়ে বার বার তাগিদ দেয়া হলেও এতে কর্নপাত করেননি। ফলে কোম্পানি পক্ষ থেকে দুই জুলাই এর ভিতর হিসাব সহ যাবতীয় বিষয়ে সমাধান দেওয়ার জন্য তাদের নোটিশ দেয়া হয়।

মনজারুল আলম চৌধুরী শিমু বলেন, উল্লেখিত প্রকল্পে প্রবাসী পরিচালকদের এক বিঘা করে জমি দেয়া হয়। কোম্পানির ভূমির রেকর্ড সংশোধন ও প্রত্যেক সদস্যের নামে ওই এক বিঘা করে জমি রেজিঃ ও প্রকল্প উন্নয়ন কাজে দেয়া বাবদ সদস্যের ৯০ লাখ টাকা টাকা লাভু মিয়া ও সাইফুল ইসলামের কাছে জমা ছিল। এছাড়াও গোপনে জাল জালিয়াত করে লাভু মিয়া, সাইফুল ইসলাম, আজমল আলি ও শফিক উদ্দিন কোম্পানির ক্রয়কৃত ভূমি হতে ৯ বিঘা ভূমি ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা বিক্রি করেন। কিন্তু এসব টাকা তারা বর্তমান কর্তৃপক্ষকে সমজিয়ে দিচ্ছেন না। বরং লাভু মিয়া ও সাইফুল ইসলাম এর নির্দেশে স্থানীয় সন্ত্রাসি দুলাল আহমদ, কয়েস সিকদার ও নুরুল আমিন গংরা সন্ত্রাসি বাহিনী দিয়ে দখলের উদ্দেশে্ গত ২৩ জুন প্রকল্পের ভেতর কয়েকটি সাইনবোর্ড ভেঙ্গে উপড়ে ফেলে ও সম্মুখে কয়েকটি সাইনবোর্ড মুছে ফেলে। সংবাদ পেয়ে কোম্পানির বর্তমান কর্তৃপক্ষ উপস্থিত হলে সন্ত্রাসীরা তাদের প্রাণে মারার হুমকি দেয়।

এ ব্যাপারে এয়ারপোর্ট থানায় গত ৪ জুলাই একটি জিডি (নং-১১৮) করা হয়েছে। এর আগে লাভু মিয়াকে বেআইনি কার্যক্রম ও আর্থিক দুর্নীতি এবং বিভিন্ন জালিয়াতির কারণে বহিস্কার করার পরও তার অপতৎপরতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন (নং ৪৯/২০২০)করা হয়। শুনানি শেষে আদালত লাভু মিয়াকে কোম্পানি যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা হতে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।ঐ চক্রটি কোম্পানির ভুমির দলিলও ফর্চা নামজারী , খাজনা রশিদ,সহ সব কিছু জাল কাগজ সৃষ্টি করে আরো কিছু জমি বিক্রয় করেন। এবং এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্তায় মামলা চলমান আছে।